চিনির স্বাদে প্রেম

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। আর এদিনে সারা দুনিয়াজুড়ে চিনির বাজার খুবই চরা। প্রেম আর চিনি কে আমি কেন এক করেছি সেই ব্যাক্ষ্যায় যাওয়ার আগে চিনি জিনিশটা সম্পর্কে অল্প করে জেনে নেয়া যাক।

চিনি এমন একটা জিনিশ যেটা খেতে অনেক মিষ্টি ও মজা এবং শরীরের জন্য দরকারিও বটে। চিনি খেলে মস্তিষ্কে ডোপামাইন বা সুখ হরমোন তৈরী হয় যা আমাদের ভালো লাগায় এবং যার ফলে আরো বেশি বেশি খেতে ইচ্ছে করে। এই চিনি খেতে খেতে যা হয় তা হলো ডায়াবেটিস আর ডায়াবেটিস থেকে অন্যান্য রোগ এবং অনেক ক্ষেত্রে শেষ পরিণতি রোগীর মৃত্যু।

এবার প্রেম। প্রেমটাও একি রকম। যে প্রেমে পড়ে তার প্রেম করতে অনেক ভালো লাগে এবং জীবনে প্রেম ছাড়া সে আর কিছুই চায়না। ডেপামাইনের প্রভাব বলতে পারেন। শুরুর দিকে প্রেমটা চিনির মতো মিষ্টি লাগলেও আস্তে আস্তে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটা খারাপের দিকে যেতে থাকে এবং এক সময় নানা সমস্যা আর অশান্তির সৃষ্টি করে। খুব শীঘ্রয় জীবনের বারোটা বাঁজতে শুরু করে। (অনেক ক্ষেত্রে সব ক্ষেত্রে না)

শেষ পর্যন্ত ডায়াবেটিক রোগীর মতো মৃত্যু না হলেও প্রেমিক বা প্রেমিকার অবস্থা বারোটা থেকে তেরোটা হয়। আবার অনেক সময় মৃত্যুও হয় যা মোটেও কাম্য নয়।  

চিনি জিনিশটা শরীরী বা ছুয়ে দেখা যায়। আর প্রেম জিনিশটা শারীরিক নাকি মানসিক বলা কঠিন। শরীর থেকে যেহেতু মন আলাদা করা যায়না আর প্রেমে পড়লে শরীর মন দুটোই প্রভাবিত হয় তাই প্রেম শরীর মন দুটোর মিশ্রণ হতে পারে।

ম্যোরাল অফ দা স্টোরি হলো চিনি যেমন অতিরিক্ত ভালোনা প্রেমও তাই। ডায়াবেটিস হতে পারে। আর ভালোবাসা শব্দের প্রথম অংশ ভালো পুরোটা না।

Leave a comment